খেলাধুলা

আফিফের প্রসংশায় ওয়ার্নার

ক্রীড়া ডেস্ক:

৬ রানে টপঅর্ডারের ৩ উইকেট হারালে চাপে পড়ে সিলেট। সেই পরিস্থিতিতে শক্ত হাতে দলের হাল ধরেন আফিফ হোসেন। প্রথমে ডেভিড ওয়ার্নারের সঙ্গে চাপ কাটিয়ে ওঠেন। পরে শাসাতে থাকেন প্রতিপক্ষ বোলারদের। দারুণ খেলছিলেন এ তরুণ। তবে হঠাৎই হন পথচ্যুত। খালেদ আহমেদের শর্ট বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ফেরার আগে খেলেন ২৮ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৪৫ রানের নান্দনিক ইনিংস।

শেষ পর্যন্ত আফিফের অনিন্দ্যসুন্দর ইনিংসে ভর করে রানের ফোয়ারা ছোটান ওয়ার্নার ও নিকোলাস পুরান। দুই বিদেশি রিক্রটের ফিফটিতে নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেটে ১৬৮ রানের লড়াকু পুঁজি গড়ে সিলেট। জবাবে সমানসংখ্যক উইকেট হারিয়ে ১৬৩ রান তুলতে সক্ষম হয় চিটাগং ভাইকিংস। ফলে শ্বাসরূদ্ধকর ম্যাচে ৫ রানের জয় নিয়ে বিজয়ীর বেশে মাঠ ছাড়েন ওয়ার্নাররা। এবারের আসরে এটিই তাদের প্রথম জয়।

কঠিন পরিস্থিতিতে আফিফের ব্যাটিংয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন ওয়ার্নার। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে সিলেট অধিনায়ক বলেন, শুরুতে আমরা উদ্বিগ্ন ছিলাম। তবে ৬ রানে ৩ উইকেট পড়ার পর আমরা ভালো ব্যাট করেছি। বিপর্যয় কাটিয়ে উঠেছি। খারাপ শুরুর পর শেষ পর্যন্ত ভালো সংগ্রহ পেয়েছি। কৃতিত্ব দিতে হবে আফিফকে। ক্রিজে আসার পর তাকে আমি পুরো ২০ ওভার খেলার কথা বলেছি। তবে সে তার মতোই খেলেছে। টুর্নামেন্টে আমাদের জন্য দারুণ কিছু করতে যাচ্ছে ও।

তবে কিছু জায়গায় উন্নতির দরকার দেখছেন ওয়ার্নার। এ ম্যাচে বেশ কয়েকটি ক্যাচ ছেড়েছেন সিলেটের খেলোয়াড়রা। তিনি বলেন, ক্যাচ অনুশীলনে আমাদের সময় দিতে হবে। তবে বোলারদের কৃতিত্ব দিতে হবে। টার্নিং পয়েন্টে আজ আমরা যে আলোচনা করেছি তা ফলপ্রসূ হয়েছে। বোলিংয়ে পরিবর্তন এনে সাফল্য পেয়েছি। সর্বোপরি চিটাগংয়ের ফ্রাইলিংককে বাহ্বা দিতে হবে। সে অসাধারণ খেলেছে।

Sharing is caring!

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares