অনলাইন ডেস্ক:

‘আপা মন্ত্রী হয়েছেন, দীপু আপা শিক্ষামন্ত্রী হয়েছেন’-এ দুটি কথাই মানুষের মুখে মুখে। ডা. দীপু মনিকে শিক্ষামন্ত্রী করায় আনন্দে-আবেগে আপ্লুতে হয়ে সোমবার চাঁদপুর জেলাবাসী এ কথা বলেন।

এ খবরে চাঁদপুরে আনন্দের বন্যা বইছে। জেলা শহরের সর্বত্র দেখা গেল ভিন্নরকম এক আমেজ। সবার চোখেমুখে খুশির ঝিলিক।

দেখা গেছে, রোববার ডা. দীপু মনিকে শিক্ষামন্ত্রী করার খবরে এলাকার পরিচিতজন একে অপরের সঙ্গে হাসিমুখে কোলাকুলি করছেন আর বলছেন- ‘দীপু আপা শিক্ষামন্ত্রী হয়েছেন।’ নির্মল এ হাসি আর আনন্দ প্রকাশের ধরনটি ছিল এমন- ‘যেন প্রতিটি মানুষ তার বিশাল কিছু প্রাপ্তিতে মহাখুশি। এ যেন তার নিজেরই প্রাপ্তি’।

রোববার বিকালে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার ফোন পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ডা. দীপু মনি বলেন, দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা কামনা করছি। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান তিনি।

চাঁদপুরের প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জীবন কানাই চক্রবর্তী বলেন, ডা. দীপু মনির হাত ধরে শিক্ষার গুণগতমান প্রসারে বাংলাদেশ আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে। সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) চাঁদপুর শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মোশারেফ হোসেন মিরণ বলেন, একজন যোগ্য ব্যক্তিকে যথার্থ স্থানে বসিয়েছে সরকার।

২০০৯-১৪ এর পর ২০১৯ এসে দ্বিতীয় দফায় আবারও মন্ত্রী হচ্ছেন ডা. দীপু মনি এমপি। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়ত্ব পালন করেন। সোমবার বিকালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন তিনি।

তার বাবা ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, সাংবাদিক এবং ‘৫২-এর ভাষাসৈনিক এমএ ওয়াদুদ। একমাত্র ভাই ডা. জেআর ওয়াদুদ টিপু দেশের একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। চাঁদপুর সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নে তাদের পৈতৃক বাড়ি। চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসন থেকে এ নিয়ে পর পর তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ডা. দীপু মনি।