শরীফুল ইসলাম:
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) ও ২ (মতলব উত্তর-দক্ষিণ) এবং ৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি। এ নিয়ে আসন গুলোতে চলছে জল্পনা-কল্পনা। তবে আগামী ৯ ডিসেম্বরের পরে জানা যাবে চূড়ান্ত প্রার্থী কে হচ্ছেন।

এদিকে চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) ও চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে ১জন প্রার্থীকেই মনোনীত করা হয়েছে। যদিও প্রথমে কচুয়া আসনে দু’জন প্রার্থীকে মনোনয়ন দিলেও পরবর্তিতে গত ২৭ নভেম্বর চাঁদপুর- ২ (মতলব উত্তর-দক্ষিণ) এবং চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে দু’জনকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র প্রদান করা হয়।

চাঁদপুর-১ (কচুয়া) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী ড. মহিউদ্দীন খান আলমগীর (আওয়ামী লীগ থেকে-নৌকা) ও গোলাম হোসেন (আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা) মনোনিত করেছেন।

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও দক্ষিণ) সংসদীয় আসনে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (আওয়ামী লীগ নৌকা), নুরুল আমিন রুহুল (আওয়ামী লীগ নৌকা) মনোনিত প্রার্থী করেছেন।

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) সংসদীয় আসনে ড. মুহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া (আওয়ামী লীগ নৌকা), মোহাম্মদ শফিকুর রহমান (আওয়ামী লীগ নৌকা), মনোনিত প্রার্থী করেছেন।

এছাড়া চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর) ডা. দীপু মনি (আওয়ামী লীগ নৌকা), চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি) সংসদীয় আসনে মেজর (অব:) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম (আওয়ামীলীগ নৌকা), মনোনিত করেছেন। তবে এ দু’আসনে এক জন করে নৌকার প্রার্থী মনোনিত করেছেন।

তবে এরা সবাই গত ২৮ নভেম্বর চাঁদপুর জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুল রহমান খানের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। পরে ২ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুল রহমান খান বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন। বাছাই কার্যক্রম শেষে এদের সকলের মনোনয়নপত্র বৈধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

এদিকে চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও দক্ষিণ) সংসদীয় আসনে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (আওয়ামী লীগ নৌকা) মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর ঢাকা হাইকোর্টে রির্ট আবেদন করেছে একটি পক্ষ। এছাড়া চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও দক্ষিণ) সংসদীয় আসনে নুরুল আমিন রুহুল (আওয়ামী লীগ নৌকা) মনোনিত প্রার্থী প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

Share Button