নিজস্ব প্রতিবেক:

চাঁদপুরের ৪টি উপজেলাসহ দেশের ১০২টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) ১০২টি উপজেলা ছাড়াও ৭টি বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করবেন তিনি।

চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান বিদ্যুৎ বিভাগের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন এর কৃতিত্বে দেশব্যাপী শতভাগ বিদ্যুতায়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে হাজীগঞ্জসহ চাঁদপুরের ৪টি উপজেলা ঘোষণা করা হবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশ। এই সাফল্যের অন্যতম অংশীদার প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন। তিনি দেশ বিদেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সাফল্যের চূড়ায় পৌছান।

এই পর্যায়ে শতভাগ বিদ্যুতায়ন হওয়া উপজেলারগুলোর মধ্যে আছে ঢাকা জেলার ৫টি, কিশোরগঞ্জ জেলার ৬টি, মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল, নাটোরের ৩টি, রাজশাহীর ৪টি, বাগেরহাটের চিতলমারী, যশোরে ৩টি, চুয়াডাঙ্গার দু’টি, পিরোজপুর সদর, মানিকগঞ্জের ৩টি, নওগার ৪টি, ঝালকাঠির ২টি, পাবনা সদর, সিলেটের ৪টি, খুলনার ডুমুরিয়া, ফেনী সদর, কুষ্টিয়া সদর, দিনাজপুরের ২টি, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ, চট্টগ্রামের ৪টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৩টি, কুমিল্লার ১১টি, নোয়াখালীর ২টি, রংপুরের ২টি, সুনামগঞ্জ দক্ষিণ, সাতক্ষীরার তালা, কক্সবাজারের ২টি, মেহেরপুরেরর গাংনী, ভোলার ২টি. সিরাজগঞ্জের ৪টি, নেত্রকোনার ২টি, মাদারীপুর সদর, নীলফামারী সদর, গাজীপুর ২টি, শরীয়তপুরের ৩টি, চাদপুরের ৪টি, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ, বগুড়ার ৭টি, ফরিদুপরের ২টি, মাগুরার ২টি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়নের ঘোষণা দেবে সরকার।

বুধবার সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ সবিচ ড. আহমদ কায়কাউস, জ্বালানি সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন সহ ঊর্ধবতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘২০০৯ সালে সরকার ক্ষমতা গ্রহণের সময় বিদ্যুতের প্রকৃত উৎপাদন ছিল ৩ হাজার ২৬৮ মেগওয়াট। বিগত ১০ বছরে বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা ৪ গুণের বেশি বেড়ে বর্তমানে ২০ হাজার ৪৩০ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে।’
নসরুল হামিদ আরও বলেন, ‘বর্তমানে মোট ১৩ হাজার ৬৫৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৫৫টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণাধীন আছে। এছাড়া ২৩টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দরপত্র প্রক্রিয়াধীন রয়েছে যার মোট ক্ষমতা প্রায় ৭ হাজার ৪৬১ মেগাওয়াট। অন্যদিকে প্রায় ২০ হাজার ১৫৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার ১৯টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিকল্পনাধীন আছে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মধ্যে আছে বড়পুকুরিয়া ২৭৫ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিট, কেরানীগঞ্জ উপজেলার ব্রাহ্মণগাঁও ১০০ মেগাওয়াট ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র, কেরানীগঞ্জ উপজেলার আওরাহাটি ১০০ মেগাওয়াট ডিজেলচালিত, গাজীপুর জেলার কড্ডায় ১৪৯ মেগাওয়াট ফার্নেস অয়েলভিত্তিক, কেরানীগঞ্জ উপজেলার পানগাঁও ৩০০ মেগাওয়াট ফার্নেস অয়েল, সিরাজগঞ্জ ২২৫ মেগাওয়াট দ্বৈত জ্বালানিভিত্তিক ও টেকনাফে ২০ মেগাওয়াট সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র।

 

শতভাগ বিদ্যুতায়ন……..আগামীকাল সকাল ১০:০০ ঘটিকায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে ১. চাঁদপুর সদর, হাইমচর, হাজীগঞ্জ, শাহরাস্তি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়ন, ২. মতলব উত্তর মুক্তমঞ্চ ও প্রশিক্ষণ ভবন, ৩. মতলব দক্ষিণ ফায়ার স্টেশন এর শুভ উদ্বোধন করা হবে।সকাল ১১:০০ ঘটিকায় আনন্দ শোভা যাত্রা। সন্ধ্যা ০৬:০০ ঘটিকায় জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সন্ধ্যা ০৮:৩০ ঘটিকায় জোড় পুকুর পাড়ে আতশবাজি উৎসব এর আয়োজন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সকলকে বর্ণিত কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

Posted by Shawkat Osman on Wednesday, October 31, 2018

Share Button