নতুনেরডাক ডেস্ক॥
হাজীগঞ্জ উপজেলার ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল হাদী মিয়ার বিরুদ্ধে সাড়ে চার কোটি টাকার টেন্ডারাবাজী অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়–য়ার কাছে লিখিত অভিযোগ করা ঠিকাদারদের সেই অভিযোগ প্রত্যাহারের করেছেন অভিযোগকারীরা। তবে গতকাল বুধবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার বৈশাখী বড়–য়া মুঠোফেনে জানান, অভিযোগকারী অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তিনি জানান, অভিযোগ প্রত্যাহারের পূর্বেও হাজীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিয়াউল ইসলাম চৌধুরীকের বিষয়টি তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অভিযোগ প্রত্যাহারের কোন সুযোগ নেই। যেহেতু অভিযোগকারী অভিযোগ প্রত্যাহার করেছেন প্রথম শ্রেণির কয়েকটি জাতীয় দৈনিকসহ স্থানীয় পত্রিকায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার টেন্ডারবাজির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তাই বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। টেন্ডার বাতিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তদন্তের পর বিষয়টি বলা যাবে। আপাদাত সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

উল্লেখ্য গত সোমবার দুপুরে মেসার্স গাজী এন্টার প্রাইজের সত্ত্বাধীকারী গাজী নাছির উদ্দিন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতাধীন হাজীগঞ্জ উপজেলায় “গ্রামীণ রাস্তায় কম-বেশী ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যরে ৪ কোটি ৫৫ লক্ষ ২৯ হাজার ৫০৪ টাকার অনুমোদন পূর্বক ১৯টি সেতুর ব্রীজ/ কালর্ভাট নির্মাণ” প্রকল্পে জন্য স্মারক নং- ৫১.০১.০০০০.০৪১.১৪.০২০.১৬/২৭০৮ তারিখ ৮ মে ২০১৮খ্রি. এর মাধ্যমে ১০ মে ২০১৮খ্রি. প্রকাশিত আংশিক সংশোধিত দরপত্র অনুযায়ী গত ১০ জুন বিকাল ৩টা ৩০ পর্যন্ত দরপত্র বিক্রির শেষ তারিখ আহবান করা হয়। ওই দিন (১০ জুন রবিবার) উপজেলার রাজারগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হাদী মিয়া তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে সিডিউল ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ রাখে এবং প্রকৃত ঠিকাদারদের সিডিউল ক্রয়ে বাধা প্রদান করে এমন অভিযোগ এনে পুনরায় টেন্ডার করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়–য়ার মাধ্যমে অভিযোগ দায়ের করেন। যাহা স্থানীয় দৈনিক চাঁদপুরজমিনসহ সকল পত্রিকা ও কয়েকটি প্রথম শ্রেণির জাতীয় দৈনিকে সংবাদটি ছাপানো হয়েছে।


লিখিত অভিযোগের অনুলিপি স্থানীয় সংসদ সদস্য (চাঁদপুর- ৫) মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক সওদাগর মুস্তাফিজুর রহমান, জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ অধ্যাপক আবদুর রশিদ মজুমদার ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিমের কাছে প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন মো. রেজাউল করিম বলেন, এমন একটি অভিযোগের অনুলিপি পেয়েছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন।

Share Button