অনলাইন ডেস্ক:

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণের উৎসব। এবারের পহেলা বৈশাখকে বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন নতুন উচ্চতায়। আমরা এখন স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পৌঁছে গেছি। দেশের সকল মানুষের জীবন-মান উন্নয়নে আমরা সকলে কাজ করে যাব-এই বৈশাখে এটাই হোক আমাদের শপথ।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে নববর্ষ উপলক্ষে আল্পনা আঁকা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, বার্জার পেইন্টস’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুপালি চৌধুরী, ইরেশ জাকের এবং শিল্পী মনিরুজ্জামান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। পরে দেশবরেণ্য শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন।

বার্জার পেইন্ট ও ইউনিলিভারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘আল্পনায় বাংলাদেশ-১৪২৫’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে স্পিকার বলেন, সামনের পথচলায় দীপ্ত প্রত্যয়ে নববর্ষে আমরা তুলির আঁচড়ে রংয়ে-রংয়ে রঙিন করে তুলবো সমগ্র বাংলাদেশ এবং আমাদের সকলের জীবন ভরে উঠবে রঙে রঙে। বাংলাদেশের সকলের কাছে সফলভাবে পথচলার এ বারতা পৌঁছে দিতে হবে।

নববর্ষে বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণের স্ফুরণ দেখা যায় আল্পনায়। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সামনে মানিকমিয়া এভিনিউ এ শিল্পীদের আঁকা আল্পনার মাধ্যমে নববর্ষকে বরণ করে নেওয়ার যে অভিযাত্রা বিগত পাঁচ বছর আগে শুরু হয়েছিল বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ শুরুর মাধ্যমে তা ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করলো।

৩০০ জন শিল্পীর আঁকা দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এ আল্পনা এখন বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম অংশ। আল্পনা আঁকাকে কেন্দ্র করে গভীর রাতে শত-শত মানুষের কলকাকলিতে ভরে উঠে এ প্রাঙ্গণ।

স্পিকার বাঙালি সংস্কৃতিকে লালন করার মাধ্যমে নববর্ষকে বরণ করে নেওয়ার জন্যও দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান।

Share Button