মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চাঁদপুর জনসভায় কচুয়াবাসীর যোগদান নস্যাতের অপচেষ্টা সম্পর্কে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব মোঃ গোলাম হোসেন, সাবেক সচিব ও চেয়ারম্যান, এনবিআর-এর বিবৃতি।

সংবাদ বিবৃতি

আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত দেশরতœ শেখ হাসিনার উন্নয়নকামী রাজনীতির একজন ক্ষুদ্র কর্মী। সঙ্গত কারণেই দেশরত্ন শেখ হাসিনার চাঁদপুর শুভাগমন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের অপরাপর নেতাকর্মীর মতো আমিও উৎফুল্ল। চাঁদপুর-১ সংসদীয় আসনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতা-কর্মীর মধ্যে মুষ্টিমেয় সুবিধাবাদি ছাড়া প্রায় সকলেই সদলবলে চাঁদপুরে প্রাণপ্রিয় নেতৃকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। চাঁদপুর-১ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে এটা আমার প্রতি কচুয়াবাসীর আকুন্ঠ সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ। আমার আলোচ্য অবস্থান চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনের বর্তমান মাননীয় সংসদ সদস্য কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। তাই বারবার আমি ও আমার সমর্থকগন তাঁর লোকদের নির্মম আক্রোশের শিকার হয়ে আসছি। আমি যেদিন থেকে কচুয়াতে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার কাজ শুরু করেছি, সেদিন থেকেই আমাদের উপর নির্বিচারে হামলা-মামলা জুলুম চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মাধ্যমে এগুলোর সচিত্র প্রতিবেদন প্রচারিত হয়েছে।
বিভিন্ন জাতীয় দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতা ও শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত আমাদের সাঁটানো পোস্টার-ফ্যাস্টুন-ব্যানার পোড়ানো ও পদদলিত করা হয়েছে। সর্বশেষ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চাঁদপুর আগমন উপলক্ষে আমার নেতৃত্বে কচুয়াবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছাস-উদ্দীপনাকে নস্যাত করার চক্রান্ত হিসাবে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি ও ভয়-ভীতি প্রদর্শণ করেই তারা ক্ষান্ত হচ্ছে না; বরং তারা বিভিন্ন অপরাজনীতিরও আশ্রয় নিচ্ছে। যার দৃষ্টান্ত গত ২৮/০৩/২০১৮ ইং তারিখ গভীর রাতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে থানা পুলিশের উপর চাপ প্রয়োগপূর্বক হাসিমপুর মিয়ার বাজারস্থ কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ শাহাদাত হোসেন-এর প্রতিষ্ঠাধীন প্লাস্টিক সূতা কারখানায় রেইড করা হয়। পুলিশ কারখানার প্রকাশ্য উন্মুক্ত স্থানে রক্ষিত কিছু কাঠের টুকরা সীজ করে পিকআপ ভ্যানে করে নিয়ে যায় এবং কারখানায় কর্মরত বিভিন্ন জেলার ৫ জন শ্রমিককেও গ্রেফতার করে ৫৪ ধারায় আজ কোর্টে চালান করে। উল্লেখ্য, কোন কারখানায় কাঠের টুকরা বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের জন্য থাকতেই পারে। এটি বেআইনী কোন কাজও নয়। যাই হোক, হয়রানী ও অপরাজনীতির এখানেই শেষ নয়। কতিপয় সুবিধাবাদী ব্যক্তি তাৎক্ষণিকভাবে মধ্য রাতে থানায় উপস্থিত হয়ে দেশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার দেখিয়ে মামলা করার জন্য পুলিশের উপর চাপ প্রয়োগ করে ব্যর্থ হয়। সেটিতে ব্যর্থ হয়ে তারা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত কাঠের টুকরার সাথে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রের ছবি আপলোড করে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার শুরু করে। এখানে উল্লেখ্য, পুলিশের জব্দ তালিকায় কাঠের টুকরা ছাড়া অন্য কিছু পাওয়া গিয়াছে মর্মে উল্লেখ নাই এবং কাঠগুলো পুলিশের ভ্যানে উঠানো ও থানা প্রাঙ্গণে সংরক্ষণ করার সময় ধারণকৃত ছবিতেও কাঠের টুকরা ব্যতিত অন্য কিছুর উপস্থিতি দেখা যায় না (ছবি সংযুক্ত)। তাহলে প্রশ্ন আসে, অসাধু মহল কর্র্তৃক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোডকৃত দেশিয় অ¯্ররে প্রকৃত মালিক কে?
আমরা এই যাবৎ কাল পর্যন্ত সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করে আসছি, যা দেশবাসী সম্যক অবগত আছেন। আমরা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও আইন-শৃংঙ্খলা বাহিনীর প্রতি বিনীত আহবান জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে সাফল্য মন্ডিত করার কাজে সার্বিক সহযোতিা ও নজরদারি প্রার্থনা করছি।
বিনীত,

(মোঃ গোলাম হোসেন)

তারিখ- ২৯.০৩.১৮

Share Button